নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১৩৯।
পদের মেয়াদ
(১) [এই সংবিধানের]১ বিধানাবলী-সাপেক্ষে
[বাংলাদেশ কর্ম
কমিশনারের চেয়ারম্যান]২ ও অন্যান্য সদস্য পদের মেয়াদ তাঁহার [কার্যভার গ্রহণের]৩ তারিখ হইতে তিন বৎসরকাল
হইবে, [এবং তাঁরা সত্তর বৎসর বয়স পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।]৪
(২) বিচার বিভাগের
পরিচালনা পর্ষদের সদস্য যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি
ও কারণ ব্যতীত কর্ম বিভাগের পরিচালনা পর্ষদের
কোনো সদস্য অপসারিত হইবেন না।
(৩) বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের
চেয়ারম্যান বা অন্য কোনো সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
(৪) কর্মাবসানের পর কোন বাংলাদেশ
কর্ম কমিশনের সদস্য নাগরিকতন্ত্রের কর্মে কোনো লাভজনক পদে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না;
তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন চেয়ারম্যান এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন;
এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (চেয়ারম্যান ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ
কিংবা বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানরূপে নিয়োগ-লাভের
যোগ্য থাকিবেন।
“১। এই অনুচ্ছেদের”, “২। কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি”, “৩। দায়িত্বগ্রহণের”,“৪। বা তাঁহার
পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন”